অনুচ্ছেদঃ রোবট

আজকের পোস্টে তোমাকে স্বাগতম। আজকের এই পোস্টে আমরা একটি  অনুচ্ছেদ দেখব – রোবট। এইটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুচ্ছেদ। এটি অনেকবার পরীক্ষায় কমন পড়ে।

তুমি যেই শ্রেণিতেই পড়োনা কেন – এইটি যদি তুমি মুখস্ত রাখো তাহলে তোমার পরীক্ষায় কমন পড়ার চান্স অনেক বেশি। আর এইজন্যই আজকে আমরা একটি খুবই সহজ এবং মুখস্ত করার মতো অনুচ্ছেদ নিয়ে এসেছি।

তাহলে চলো, শুরু করা যাক।

রোবট

মানব সভ্যতার যাত্রা পথে প্রতিদিনই সংযুক্ত হচ্ছে নতুন গতি, নতুন মাত্রা । বিজ্ঞানই হলো এ নতুনের রূপকার । বিজ্ঞানের বিস্ময়কর এক সৃষ্টি ‘রোবট’ বা ‘যন্ত্রমানব’ । ‘রোবট’ শব্দটির জন্ম চেক শব্দ ‘রোবোটা’ থেকে। ‘রোবোটা’ অর্থ হলো কাজ করা বা দাসত্ব করা। এ অর্থগত দিক বিবেচনায় ‘রোবোট’ হলো ‘দাস’ বা ‘ক্রীতদাস’। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ‘রোবোট’কে স্ব-চালিত যন্ত্রমানব বলে অভিহিত করা হয়। হাসতে এবং কাঁদতে সক্ষম স্বয়ংক্রিয় খেলনা পুতুলই মূলত রোবটের বর্তমান আদি পুরুষ। রোবট বর্তমানে খেলনা পুতুলের স্তর পেরিয়ে বড়দের কর্মময় সংসারে প্রবেশ করেছে শতকর্মে ব্যস্ত মানুষকে সাহায্য করবার জন্যে। রোবট আজ বিছানায় প্রাতঃরাশ পৌঁছে দিচ্ছে। প্রভুর সারাদিনের কর্মসূচি পাঠ করে শোনাচ্ছে। খাবার টেবিলে খাবার পৌছে দিচ্ছে। পা-বিহীন চাকাযুক্ত এ রোবটকে বলা হয় ‘ডোমেস্টিক রোবট’ বা ‘গৃহস্থালি রোবট’। ‘ফিডব্যাকহীন’ এ অন্ধ রোবট ফার্স্ট জেনারেশন রোবট। দ্বিতীয় জেনারেশন রোবট স্পর্শ, দর্শন ও মনন ইন্দ্রিয়ের অধিকারী হবে। ইতোমধ্যে বিজ্ঞানীরা ইন্দ্ৰিয়বান একাধিক রোবট তৈরিতে সক্ষম হয়েছেন। রোবটকে আরো উন্নত করার জন্য বিজ্ঞানীদের প্রচেষ্টা থেমে নেই।

সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আশা করছি আমাদের এই পোস্ট থেকে যে আবেদন পত্রটি তুমি চাচ্ছিলে সেটি পেয়ে গিয়েছ। যদি তুমি আমাদেরকে কোন কিছু জানতে চাও বা এই পত্র নিয়ে যদি তোমার কোনো মতামত থাকে, তাহলে সেটি আমাদের কমেন্টে জানাতে পারো। আজকের পোস্টে এই পর্যন্তই, তুমি আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে আমাদের বাকি পোস্ট গুলো দেখতে পারো।

See also  অনুচ্ছেদঃ ডাকপিয়ন

Leave a Comment