প্রতিবেদনঃ তোমার দেখা একটি বইমেলা সম্পর্কে প্রতিবেদন তৈরি কর

আজকের পোস্টে তোমাকে স্বাগতম। আজকের এই পোস্টে আমরা একটি  প্রতিবেদন দেখব – তোমার দেখা একটি বইমেলা সম্পর্কে প্রতিবেদন তৈরি কর। এইটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিবেদন। এটি অনেকবার পরীক্ষায় কমন পড়ে।

তুমি যেই শ্রেণিতেই পড়োনা কেন – এইটি যদি তুমি মুখস্ত রাখো তাহলে তোমার পরীক্ষায় কমন পড়ার চান্স অনেক বেশি। আর এইজন্যই আজকে আমরা একটি খুবই সহজ এবং মুখস্ত করার মতো প্রতিবেদন নিয়ে এসেছি।

তাহলে চলো, শুরু করা যাক।

তোমার দেখা একটি বইমেলা সম্পর্কে প্রতিবেদন তৈরি কর

বাংলা একাডেমির আয়োজনে একুশের বইমেলা

নিজস্ব সংবাদদাতা

১ মার্চ ২০১৮

ভাষা আন্দোলনের চেতনায় মননশীল জাতিগঠনে বাংলা একাডেমির অমর একুশে বইমেলা আজ সর্বজনীন আবেগে অভিষিক্ত। মহান একুশে ফেব্রুয়ারিকে সামনে রেখে প্রতি বছরের মতো এবারেও বাংলা একাডেমি ফেব্রুয়ারি মাসব্যাপী আয়োজন করেছিল ‘অমর একুশে বইমেলা।’ বাংলা একাডেমির এ আয়োজন জাতিকে গ্রন্থমুখী ও গ্রন্থপ্রেমী করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। বস্তুত তরুণ প্রজন্মের মধ্যে জ্ঞান আহরণ ও গ্রন্থপাঠের আগ্রহ জাগাতে একুশের বইমেলার অবদান খুবই প্ৰশংসনীয় ।

বাংলা একাডেমির একুশের গ্রন্থমেলা দেশের সর্ববৃহৎ জাতীয় গ্রন্থমেলা। এ মেলাকে কেন্দ্র করে সৃজনশীল প্রকাশনা জগৎ সম্প্রসারিত ও সমৃদ্ধ হচ্ছে। সৃষ্টি হচ্ছে নতুন লেখক ও পাঠক। একুশের বইমেলা বর্তমানে গ্রন্থ-উৎসবে পরিণত হয়েছে। এবারের বইমেলায় পাঁচ শতাধিক ইউনিটে বাণিজ্যিক প্রকাশনা, সরকারি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, গণমাধ্যম ডিজিটাল প্রকাশনা ও লিটল ম্যাগাজিনসহ প্রায় চারশ’ প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে। একুশের বইমেলা লেখক-প্রকাশক-পাঠকের মিলন মেলা । এ মেলা এখন হয়ে ওঠেছে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও জ্ঞানের রাজ্যে সৃজনশীল চেতনার প্রতীক ।

বাংলা একাডেমির একুশের বইমেলা রাজধানী ঢাকার সবচেয়ে বড় মাপের সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। একুশের বইমেলার মূলমঞ্চ থেকে প্রতিদিন প্রবন্ধ পাঠ, আলোচনা, আবৃত্তি, গান প্রভৃতি পরিবেশিত হয়েছে। মেলায় আগত ক্রেতারা বই কেনার পাশাপাশি এ অনুষ্ঠান উপভোগ করেছেন। বইমেলার স্টলগুলো প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা ছিল । শুক্রবার ও ছুটির দিনে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বইমেলা সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল । বাংলা একাডেমি, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, মাওলা ব্রাদার্স, অনন্যা, অন্যপ্রকাশ, আগামী প্রকাশনী, পাঠক সমাবেশ, ঐতিহ্য, ইউপিএলসহ বহু নামিদামি প্রকাশনী বইমেলায় অংশগ্রহণ করেছে। একুশের বইমেলায় সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে উপন্যাস ও গল্পের বই । সায়েন্স ফিকশন এবং শিশুতোষ রচনারও কাটতি ছিল বেশ।

See also  ভাবসম্প্রসারণঃ কত বড় আমি' কহে নকল হীরাটি, তাই তো সন্দেহ করি, ' নহ ঠিক খাঁটি '

শেষ দিনে বইমেলা ছিল লোকারণ্য। সদ্য সমাপ্ত অমর একুশের বইমেলায় বই এসেছে ৩,৬৬৯টি। বিক্রি হয়েছে প্রায় ২৬ কোটি টাকার। বইমেলার শেষ দিনে সেরা প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন শাখায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। সেরা গ্রন্থের প্রকাশক হিসেবে চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছে প্রকাশনা সংস্থা ‘প্রথমা’ ।

একুশে বইমেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছিল খুবই সন্তোষজনক। ২৮ ফেব্রুয়ারি যবনিকাপাত ঘটে একুশের বইমেলার। আবার এগারো মাস প্রতীক্ষার পালা। মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয় বাংলা একাডেমির অমর একুশে বইমে আবার বইমেলা হয়ে ওঠুক জাতির মননশীল আশা-আকাঙ্ক্ষার অনির্বাণ আলোকবর্তিকা ।

সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আশা করছি আমাদের এই পোস্ট থেকে যে আবেদন পত্রটি তুমি চাচ্ছিলে সেটি পেয়ে গিয়েছ। যদি তুমি আমাদেরকে কোন কিছু জানতে চাও বা এই পত্র নিয়ে যদি তোমার কোনো মতামত থাকে, তাহলে সেটি আমাদের কমেন্টে জানাতে পারো। আজকের পোস্টে এই পর্যন্তই, তুমি আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে আমাদের বাকি পোস্ট গুলো দেখতে পারো।

Leave a Comment