অনুচ্ছেদনির্মিতিবাংলা

অনুচ্ছেদঃ খাদ্যে ভেজাল

খাদ্যে ভেজাল

আজকের পোস্টে তোমাকে স্বাগতম। আজকের এই পোস্টে আমরা একটি  অনুচ্ছেদ দেখব – খাদ্যে ভেজাল। এইটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুচ্ছেদ। এটি অনেকবার পরীক্ষায় কমন পড়ে।

তুমি যেই শ্রেণিতেই পড়োনা কেন – এইটি যদি তুমি মুখস্ত রাখো তাহলে তোমার পরীক্ষায় কমন পড়ার চান্স অনেক বেশি। আর এইজন্যই আজকে আমরা একটি খুবই সহজ এবং মুখস্ত করার মতো অনুচ্ছেদ নিয়ে এসেছি।

তাহলে চলো, শুরু করা যাক।

খাদ্যে ভেজাল

খাদ্যে ভেজাল বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে আলোচিত ও অন্যতম সমস্যা। সাধারণত খাদ্যে ভেজাল বলতে বোঝায় খাবারের সাথে নিম্নমানের ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মেশানো । অসাধু ব্যবসায়ীরা তাদের লোভী মনোবৃত্তি থেকে খাবারে ভেজাল দিয়ে থাকে। এর ফলে মানুষের জীবন হুমকির মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। মানুষের জীবনে অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। তবে তা উপার্জন করতে হবে সৎপথে থেকে। কিন্তু সৎ ব্যবসায়ীর সংখ্যা আমাদের দেশে নগণ্য। সামান্য মুনাফার লোভে খাদ্যে ভেজাল দিয়ে মানুষের জীবনকে সংকটে ফেলে দিতে তাদের অধিকাংশের বিবেক নাড়া দেয় না। খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল মেশানো নিন্দনীয় ও জঘন্য অপরাধ । তাই খাদ্যে ভেজাল এখন আমাদের দেশের একটি জাতীয় সমস্যায় পরিণত হয়েছে। বর্তমানে প্রায় সব খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল মেশানো হয়। খাদ্যের ধরন হিসেবে উজ্জ্বল্য বাড়াতে কোনো খাদ্যে কৃত্রিম রঙ, ওজন বাড়াতে বালি, কাঁকর, পানিসহ নানা অপদ্রব্য মেশানো হয়। এছাড়া ফরমালিন ও প্রিজারভেটিভের ব্যবহার ব্যাপক হারে লক্ষ করা যায়। বেকারি পণ্য ও তৈরি খাবারগুলো কেবল ভেজাল উপকরণ দিয়ে তৈরি করা হয় না, অপদ্রব্য ও বিষাক্ত দ্রব্যও ব্যবহার করা হয়। ভেজাল খাবার মানবস্বাস্থ্যের জন্যে মারাত্মক ক্ষতিকর। ক্যান্সারসহ নানা দুরারোগ্য ব্যাধির কারণ ভেজাল খাদ্য। তাই জনস্বাস্থ্যের কথা ভেবে খাদ্যদ্রব্যেকে ভেজালের কবল থেকে মুক্ত করতে দেশের সরকার ও সচেতন নাগরিক সমাজসহ সর্বস্তরের মানুষকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এজন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আরো কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। ভেজাল এক ধরনের সামাজিক অপরাধ। এ ব্যাপারে সকলকে সচেতন করে তুলতে হবে। ভেজালবিরোধী আন্দোলনকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে।

সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আশা করছি আমাদের এই পোস্ট থেকে যে আবেদন পত্রটি তুমি চাচ্ছিলে সেটি পেয়ে গিয়েছ। যদি তুমি আমাদেরকে কোন কিছু জানতে চাও বা এই পত্র নিয়ে যদি তোমার কোনো মতামত থাকে, তাহলে সেটি আমাদের কমেন্টে জানাতে পারো। আজকের পোস্টে এই পর্যন্তই, তুমি আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে আমাদের বাকি পোস্ট গুলো দেখতে পারো।

Related posts

ভাবসম্প্রসারণঃ যত বড়ো হোক ইন্দ্ৰধনু সে, সুদূর আকাশে আঁকা, আমি ভালোবাসি মোর ধরণীর প্রজাপতিটির পাখা

Swopnil

আবেদন পত্রঃ গরমের কারণে প্রাতঃকালীন স্কুল শুরুর আবেদন জানিয়ে প্রধান শিক্ষকের নিকট দরখাস্ত লেখ

Swopnil

রচনাঃ পহেলা বৈশাখ

Swopnil

Leave a Comment